Sunday, September 17, 2017

সহিহ ইসলামের দৃষ্টিতে আশুরা বা ইয়াওমে আশুরা [ ১০ মহরম] ও তার ঐতিহাসিক তাৎপর্য


আশুরা বা ইয়াওমে আশুরা - :  মহরম মাসের ১০ তারিখকে আশুরা বলা হয়। আরবি ‘আশারা’ অর্থ দশ। সেই সুবাদে ওই তারিখ আশুরা বলে উল্লেখিত হয়ে আসছে।

ঐতিহাসিক তাৎপর্য:———
* আল্লাহপাক এ তারিখে আসমান, জমিন, লওহে কলম সৃষ্টি করেছেন এবং এই ১০ মহরম মহাপ্রলয় বা কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে।

* আল্লাহতায়ালা আদি পিতা হযরত আদম (আঃ)-কে ১০ মহরম দুনিয়ায় প্রেরণ করেন।

* মুসলিম মিল্লাতের পিতা হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ঈমানের মহা কঠিন পরীক্ষা দিতে নমরুদের অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন ১০ মহরম।

* ১০ মহরম খোদাদ্রোহী ফেরাউন বিপুল সেনাবাহিনী নিয়ে নীল দরিয়ার অতল তলে তুবে মরে আর হযরত মুসা (আঃ) বনি ইসরাইলদের নিয়ে পানির ওপর দিয়ে পার হয়ে যান।

* হযরত ইউনুছ (আঃ) ৪০ দিন মাছের পেটে অবস্থানের পর ১০ মহরম নাজাত পেয়েছিলেন।

* হিজরী ৬১ সনের ১০ মহরম ঐতিহাসিক কারবালার প্রান্তরে অত্যাচারী শাসক ইয়াজিদের বাহিনী কর্তৃক হজরত ইমাম হোসাইন রাঃ-কে যে নির্মমভাবে শহীদ করা হয়।

এত গুলো ঘটনার সাক্ষীবহ এই দিন, রাসুল পাক (সাঃ)স্বয়ং নিজে যেই দিনে ইবাদত পালন করে এবং আমাদের কে পালন করতে বলে গেছেন।   
সেই দিনটি তে কোন যুক্তিতে রাসুলের ওফাতের পরে সম্পাদিত শুধু মাত্র একটি ঘটনার জন্য শোকের মাস হিসেবে মাতমের সহিত, অনৈসলামিক নিয়মে পালন করা হয়?
প্রিয় নবী সাঃ এর প্রাণ প্রিয় নাতী হত্যার শোকে মুসলান মানেই ব্যথিত এবং কেয়ামত পর্যন্ত তা যথাযোগ্য মর্যাদা এবং আল্লাহ্‌ প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী তা স্মরণীয় এবং পালনীয় হয়ে আসবে এটা স্বাভাবিক।

অথচ মহরম মাস এলেই এক শ্রেণীর মানুষ তাজিয়া, শোকগাঁথা পাঠ, শোক পালন, মিছিল বের করা, শোক প্রকাশ্যে নিজের শরীরকে রক্তাক্ত করা প্রভৃতি কাজ করে থাকেন। এ ধরনের কোনো রেওয়াজ ইসলামের কোথাও বর্ণিত হয়নি। 
কিন্তু নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং ইরশাদ করে গেছেন, ‘তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্কে নেই যারা মুখ চাপরায়, কাপড় ছিড়ে এবং জাহেলি যুগের কথাবার্তা বলে।’


অতএব শাহাদাতে হুসাইন (রা)কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অনৈসলামিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না হওয়া এবং সব ধরনের জাহেলি রসম-রেওয়াজ থেকে দূরে থাকা প্রত্যেক মুসলিমের অবশ্য কর্তব্য। কেন না আল্লাহ্‌ প্রদত্ত বিধান পবিত্র কোরআন এবং রাসুলের সুন্নত ব্যাতিত কোন কিছুই ইসলামের মুল বিষয়ে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না।

আল্লাহ্‌ আমাদের সকল কে ইসলামের সঠিক জ্ঞান দান করুন এবং সেই অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন। ( আমিন )

Wednesday, September 13, 2017

আজ বাংলাদেশের মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও অভিযানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাবেশ

সংবাদদাতাঃ- এইচএম ইসমাঈল হুসাইন, 
মিয়ানমার সরকারের নির্দেশে সেনা অভিযানে রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণের প্রতিবাদে সারাদেশে আজ ১৩ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভ ও ঢাকাস্থ মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি দিয়েছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। 




গত শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন । 
আজ সকাল ১০টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ থেকে মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।


লক্ষ লক্ষ তৌহিদি জনতা উপচে পড়েছে রোহিঙ্গাদের উপর বর্বরোচিত নিপীড়নের প্রতিবাদে।আং সাং সুকি নিপাত যাক ও নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর ধ্বনি তে ঢাকার আকাশ মুখরিত। রাষ্ট্রীয় মদতে রোহিঙ্গাদের গনহত্যা ও নির্যাতনে অবিলম্বে মায়ানমার সরকার বন্ধ করুক সুচির সরকার। 

"জয় ইসলাম" কোন মুসলমানের স্লোগান নয় - পীরজাদা মুজাহিদ সিদ্দিকী

WBMIC 💻 :কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক তথা স্যোসাল মিডিয়াতে জয় ইসলাম স্লোগান নিয়ে তোলপাড় চলছে। এমতাবস্থায় ফুরফুরা শরীফের বড় হুজুর পীর কেবলা রহঃ এঁর আওলাদ পীরজাদা মুজাহিদ সিদ্দিকী ফেসবুক পোস্টে তীব্র প্রতিবাদ করে জানিয়েছেন ইহা ইসলাম বিরোধী একটি স্লোগান। তিনি বলেন - "জয় ইসলাম" কোন মুসলমানের শ্লোগান নয়” ।  কারন ইসলাম কারো অনুকরণ করে না। ইসলামের আইন কানুন আচার আচরণ সবই  স্বতন্ত্র।


এছাড়াও শিক্ষিত সমাজ এটাকে অন্য ধর্মের অনুকরণে তথা “জয় শ্রী রাম”  এর অনুকরণে গঠিত বলে মতামত পোষন করছেন এবং এহা ইসলাম সমর্থন করে না বলে অভিযোগ করেছেন।

এছাড়াও বিশিষ্ট ইসলামের দায়ি মাওলানা আমিনুল আম্বিয়া সাহেব বলেছেন “জয় ইসলাম কথাটির মধ্যে সাধারণ কোন দোষ নেই, কিন্তু বিশ্ব নবীর হাদীসে বলা হয়েছে অন্য জাতির অনুকরণ হয় এমন কোন কাজ যে করে সে, সেই জাতির মধ্যে গন্য হয় । যেহেতু এই কথাটির মধ্যে জয় শ্রীরাম, জয় হনুমান, কথা গুলির সাদৃশ্য রয়েছে তাই এই স্লোগান না বলাই ভালো । যাঁরা এই স্লোগান দিচ্ছেন তাঁরা বিষয়টি হয়তো ভেবে দেখেননি।আশা করি বিষয়টি নিয়ে ভাববেন ।কাউকে আঘাত না করে আমরা অপরের ভুল ধরিয়ে দিতে পারি । সবাইকে আল্লাহ সঠিক বোঝার তওফিক দান করুন।” 

Saturday, September 9, 2017

হাজারো মানুষকে কাঁদালো রোহিঙ্গা নারীর অশ্রুভেজা চিঠি

হাজারো মানুষকে কাঁদালো রোহিঙ্গা নারীর ‘অশ্রুভেজা চিঠি’

অসহায় রোহিঙ্গাদের ছবি 

আমি একজন মায়ানমারের মেয়ে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার রহমতে আরোও ৩ বছর আগেই আমি মুফতিয়া পাশ করে, খুব ছোট্ট একটা সংসার গড়ি, বছর না যেতেই আমাদের কোল জুড়ে এলো সুন্দর ফুটফুটে এক কন্যা সন্তান। হঠাৎই একদিন সেনাবাহিনীর কিছু মানুষ আমাদের গৃহে প্রবেশ করলো।

রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরতা ও নৃশংসতার কথা শুনে কাঁদলেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোগান

রোহিঙ্গাদের ওপর সেনাদের বর্বরতা ও নৃশংসতার কথা শুনে কাঁদলেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোগান 



বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমিনে এরদোগান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কেভুসেগলু। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর গুলিতে আহত ১২ রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা বলেন এমিনে এরদোগান। এ সময় তাদের মুখে রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সেনাদের বর্বরতা ও নৃশংসতার কথা শুনে কাঁদলেন তিনি।

'সুচি মানবতাবিরোধী অপরাধের দুষ্কর্মে এখন জড়িত, নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নিন’



আমাদের বেশিরভাগ মানুষই রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে খুব বেশিকিছু আশা করে না। কিন্তু অং সান সু চির বেলায় আমরা আশা নিয়েই বিশ্বাস স্থাপন করেছিলাম। তার নামটি একসময় ছিল ভোগান্তির শিকার মানুষের মুখে ধৈর্য ও স্থিতিশীলতার ছাপ এবং স্বাধীনতার জন্য অনমনীয় সংগ্রামে সাহস ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতিরূপ।

Monday, September 4, 2017

১০ই মহরমে ইসলামের নামে অপসাংস্কৃতি বন্ধ হোক

“মহরমে ইসলামের নামে অপসাংস্কৃতি বন্ধ হোক” 
নিজস্ব মতামত:- ১০ই মহরমে ঢাক ঢোল তাজিয়া তলোয়ার নিয়ে মিছিল করে শোক প্রকাশ করা ইসলামে নেই তথা পবিত্র কুরআন ও হাদিসে নেই। বদলে নয় দশ তারিখে রোযা রাখা যাই । এতে গুনাহ মাফ হয় ও আল্লাহর কাছ থেকে প্রতিদান পাওয়া যায়।

তাই ইসলামের দোহাই দিয়ে তাজিয়া বানিয়ে মাতম করে লাঠি খেলা করে মহরম পালন করা #অপসাংস্কৃতি ও ইসলাম বিরোধী কাজ।

কারন যে কাজ পবিত্র কুরআন, হাদিস, ইজমা ও কেয়াস নেই। সে কাজ বেদআত তথা ইসলামে নব সৃষ্টি। সঠিক ইসলামকে জানতে পবিত্র কুরআন ও হাদিস পড়ুন। কোনো মুসলমানকে দেখে ইসলামকে বিচার করবেন না। করলে বোকামি হবে।

হে আল্লাহ! আমাদের সঠিক ইসলাম মানার তৌফিক দিন। #আমীন

পশ্চিমবঙ্গ মুসলিম বুদ্ধিজীবী মহল