Monday, May 29, 2017

রমজানের খুঁটিনাটি জানুন ধারাবাহিক ভাবে (পর্ব - ১) জানলে আপনিও অবাক হবেন

মাহে রমজান , এক মহাপ্রাপ্তির মাস ৷

স্বাগত মাহে রমজান। বছর ঘুরে আজ আমাদের দুয়ারে আবারও উপস্থিত হয়েছে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভের বাণী নিয়ে পবিত্র রমজান।
     

(মাহে রমজান স্পেশাল কুরান তেলায়তের ভিডিও দেখুন অসাধারন)       



মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে মুসলমানরা এ তিন ধাপে
ইবাদত-বন্দেগি করে আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের প্রশান্তি লাভ করবে। সারা বছর
জ্ঞাত-অজ্ঞাতসার


ে তারা যে
পাপ করেছে, তা থেকে ক্ষমা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে এই মাসে । সিয়াম সাধনার
দ্বারা আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে আমাদের নাজাতের পথ খুঁজে বের করতে হবে । হাজার
রজনীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ রজনী লাইলাতুল কদর রমজান মাসকে করেছে বিশেষভাবে
মহিমান্বিত। এই রমজানেই আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদের
(সা.) ওপর সর্বশেষ ঐশী গ্রন্থ পবিত্র কোরআন নাজিল করেন । কৃচ্ছ্রসাধন ও
আত্মসংযমের এ মাসে তাই মানুষ আল্লাহর প্রদর্শিত পথে চলার ওয়াদা করে, তার
সবরকম গুনাহ্ মাফ করে দেয়ার আকুল প্রার্থনা জানায়। এ মাসে আল্লাহ তার
বান্দাদের কঠোর ত্যাগ, ধৈর্য, উদারতা ও সততা প্রদর্শনের নির্দেশ রয়েছে ৷

রমজানের রোজা রাখা সক্ষম মুসলমানদের জন্য ফরজ ৷


মাহে রমযান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি ভালবাসা পাওয়া, তারই জিম্মাদারীতে
যাওয়া ও তারই ইবাদতের দিকে আকৃষ্ট হওয়ার এবং তাঁর নুর বা জ্যোতি দ্বারা
নিজকে আলোকিত করার এক মহান মাস। আর রোযা হলো ইসলামের ৫ম স্তম্ভের ৩য়
স্তম্ভ। তাই ইহা প্রাপ্ত বয়স্ক-সক্ষম সকল মুসলমানের ওপর ফরজ বা আবশ্যকীয়
আমল বা ইবাদত। মহান রাব্বুল আলামীন এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনুল করীমে ইরশাদ
করেছেন-

183] يٰأَيُّهَا الَّذينَ ءامَنوا كُتِبَ عَلَيكُمُ الصِّيامُ كَما كُتِبَ عَلَى الَّذينَ مِن قَبلِكُم لَعَلَّكُم تَتَّقونَ

[183] হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা
হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে
পার।( সূরা বাকারাহ)

অত্র আয়াতে তোমাদের পূর্ববর্তী বলে মহান
আল্লাহ তায়ালা রোযার মাহাত্ম বা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত বলে বর্ণনা করে ও
মুসলমানদের সান্তনা দিয়ে এটাই বুঝিয়েছেন রোযা একটি কষ্টকর শারীরিক ইবাদত
তবে এটা শুধুমাত্র তোমাদের ওপর ফরজ এমনটা নয় বরং পূর্ববর্তী জাতিগুলোর উপর
ও রোযা ফরজ করা হয়েছিল। এই বিধান হযরত আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে
হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম পর্যন্ত সকল নবীর উম্মতের উপর শরীয়ত কর্তৃক ফরজ
ছিল। আর রোযার মাধ্যমে ব্যক্তি তার প্রবৃত্তির তাড়না নিয়ন্ত্রণ করে তাকওয়া
বা পরহেযগারীর শক্তি ও গুণাবলী অর্জন করে।

আর তাকওয়ার দরুণ মানুষের
মধ্যে নৈতিকতার বিকাশ ঘটে ফলে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা, ক্রোধ, নেশা,
মিথ্যাবুলি, প্রতারণা, অশ্লীলতার চর্চা ইত্যাদি থেকে পবিত্রতা অর্জন করে।

ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে পবিত্র মাহে রমযান ও রোযার গুরুত্ব সীমাহীন। কোরআনে
পাকে রোযা পালনের পাশাপাশি হাদীসে পাকে ও আল্লাহর হাবীব তা পালনের প্রতি
গুরুত্বারোপ করেছেন।

তবে রমজান মাসের চাঁদ দেখেরোজা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন রাসূল (সাঃ) ৷ অনেকেই এখন এর উপর গুরুত্ব দেন না ৷

বইঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ), অধ্যায়ঃ ৩০/ সাওম/

১৯০৬.রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযানের কথা আলোচনা করে
বললেনঃ চাঁদ না দেখে তোমরা সওম পালন করবে না এবং চাঁদ না দেখে ইফ্তার করবে
না। যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে তার সময় (ত্রিশ দিন) পরিমাণ পূর্ণ করবে।
(১৯০০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮২)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/share.php?hid=25837


অনেকেই আবেগের বশে 2/3 দিন পূর্বেই রোজা রাখা শুরু করে দেয় ৷কিন্তু
রমজানের একদিন বা দুদিন পূর্বেও রোজা শুরু না করারও নির্দেশ দিয়েছেন রাসূল
( সাঃ) ৷

বইঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ), অধ্যায়ঃ ৩০/ সাওম হাদিস নম্বরঃ ১৯১৪

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কেউ রমাযানের একদিন
কিংবা দু’দিন আগে হতে সওম শুরু করবে না। তবে কেউ যদি এ সময় সিয়াম পালনে
অভ্যস্ত থাকে তাহলে সে সেদিন সওম পালন করতে পারবে। (মুসলিম ১৩/৩, হাঃ ১০৮২,
আহমাদ ১০১৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৯০)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/share.php?hid=25845

রমজান আসলে ঈমানদারদের সুবিধার জন্য বন্ধি করে রাখা হয় শয়তানকে ৷ যার ফলে রমজান আসলে মসজিদে তিল ধারনের স্থান থাকে না ৷
বরং আমাদের উচিত রমজানের শিক্ষা সঠিক ভাবে আমলে নিয়ে সারা বছর আমল করে যাওয়া কিন্তু আমরা কি তা করছি?


১৮৯৯. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলতেন, আল্লাহর রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রমাযান আসলে আসমানের দরজাসমূহ খুলে
দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানগুলোকে
শিকলবন্দী করে দেয়া হয়। (১৮৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৪, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ
১৭৭৫ )

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/share.php?hid=25830

এই রমজানে রাসূল ( সাঃ) প্রচুর দান করতেন এবং আমাদের দান করার শিক্ষা দিয়েছেন কারন অন্য মাসের চেয়ে এই মাসে দান করা উত্তম

বইঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ), অধ্যায়ঃ ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم), হাদিস নম্বরঃ ১৯০২


১৯০২. ইবনু ‘আববাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ধন-সম্পদ ব্যয় করার ব্যাপারে সকলের চেয়ে দানশীল ছিলেন। রমাযানে
জিবরাঈল (আঃ) যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাত করতেন, তখন তিনি আরো অধিক দান করতেন।
রমাযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি রাতেই জিবরাঈল তাঁর সঙ্গে একবার সাক্ষাত
করতেন। আর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কুরআন শোনাতেন।
জিবরাঈল যখন তাঁর সঙ্গে সাক্ষাত করতেন তখন তিনি রহমতসহ প্রেরিত বায়ুর চেয়ে
অধিক ধন-সম্পদ দান করতেন। (৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৭, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ
১৭৭৮ )

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/share.php?hid=25833


তবে রোজাদারদের জন্য বিশেষ নির্দেশ হল তাদের অবশ্যই সকল অশ্লীল বা খারাপ
কাজ হতে বিরত থাকতে হবে ৷ নয়ত কোন ফায়দা হবে না ,শুধু হবে উপবাস ৷ রাসূল (
সাঃ) বলেছেন যে ব্যক্তি সওম পালনের সময় মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল
পরিত্যাগ করে না তা কখনও গৃহিত হবে না ৷

১৯০৩. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে
ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তার এ পানাহার পরিত্যাগ
করায় আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই। (৬০৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৮, ইসলামী
ফাউন্ডেশনঃ ১৭৭৯)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/share.php?hid=25834


যারা সঠিক ভাবে রোজা রাখবে তাদের জন্য রয়েছে ব্যাপক সুসংবাদ৷ তবে ঝগড়া,
বিবাদ ও গালাগালি করা যাবে না, সব কিছুই করতে হবে এক আল্লাহর জন্য ৷ তবেই
আসবে মহা সাফল্য ৷

১৯০৪. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি
বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা
বলেছেন, সওম ব্যতীত আদম সন্তানের প্রতিটি কাজই তার নিজের জন্য, কিন্তু
সিয়াম আমার জন্য। তাই আমি এর প্রতিদান দেব। সিয়াম ঢাল স্বরূপ। তোমাদের কেউ
যেন সিয়াম পালনের দিন অশ্লীলতায় লিপ্ত না হয় এবং ঝগড়া-বিবাদ না করে। যদি
কেউ তাকে গালি দেয় অথবা তার সঙ্গে ঝগড়া করে, তাহলে সে যেন বলে, আমি একজন
সায়িম। যাঁর কবজায় মুহাম্মাদের প্রাণ, তাঁর শপথ! অবশ্যই সায়িমের মুখের গন্ধ
আল্লাহর নিকট মিস্কের গন্ধের চাইতেও সুগন্ধি। সায়িমের জন্য রয়েছে দু’টি
খুশী যা তাকে খুশী করে। যখন সে ইফতার করে, সে খুশী হয় এবং যখন সে তার রবের
সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন সওমের বিনিময়ে আনন্দিত হবে। (১৮৯৪, মুসলিম ১৩/৩০,
হাঃ ১১৫১, আহমাদ ৭৭৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৮০)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/share.php?hid=25835

সকলের উচিত সঠিক ভাবে রাসূলের সাঃ অনুসরন করে রমজানের সাওম পালন করা ৷

সঠিকভাবে . সওম পালনকারীর জন্য বেহেস্তে রাইয়্যান নামক একটি দরজা রয়েছে,
একমাত্র রোজাদার ব্যাক্তি প্রবেশ করবে ৷ এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কি হতে
পারে?

১৮৯৬. সাহল (রাঃ) হতে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জান্নাতে রাইয়্যান নামক একটি দরজা আছে। এ দরজা দিয়ে
কিয়ামতের দিন সওম পালনকারীরাই প্রবেশ করবে। তাদের ব্যতীত আর কেউ এ দরজা
দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা দেয়া হবে, সওম পালনকারীরা কোথায়? তখন
তারা দাঁড়াবে। তারা ব্যতীত আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না। তাদের
প্রবেশের পরই দরজা বন্ধ করে দেয়া হবে। যাতে করে এ দরজাটি দিয়ে আর কেউ
প্রবেশ না করে। (৩২৫৭, মুসলিম ১৩/৩, হাঃ ১১৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬১,
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭ ৭২)

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih) http://www.hadithbd.com/share.php?hid=25827


সুতরাং প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ সবল সকল মুসলমানের উপর পবিত্র মাহে রমযানের
রোযা পালন করা আবশ্যক এটাই নির্দেশ করে। তবে রোজা রাখতে অক্ষম তাদের ক্ষমা
পাবার সুযোগ রয়েছে ৷

আল্লাহ বলেন

184] أَيّامًا مَعدودٰتٍ ۚ
فَمَن كانَ مِنكُم مَريضًا أَو عَلىٰ سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِن أَيّامٍ أُخَرَ
ۚ وَعَلَى الَّذينَ يُطيقونَهُ فِديَةٌ طَعامُ مِسكينٍ ۖ فَمَن تَطَوَّعَ
خَيرًا فَهُوَ خَيرٌ لَهُ ۚ وَأَن تَصوموا خَيرٌ لَكُم ۖ إِن كُنتُم
تَعلَمونَ
[184] গণনার কয়েকটি দিনের জন্য অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে,
অসুখ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোজা পূরণ করে নিতে
হবে। আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট দায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন
মিসকীনকে খাদ্যদান করবে। যে ব্যক্তি খুশীর সাথে সৎকর্ম করে, তা তার জন্য
কল্যাণ কর হয়। আর যদি রোজা রাখ, তবে তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর, যদি
তোমরা তা বুঝতে পার।

185] شَهرُ رَمَضانَ الَّذى أُنزِلَ
فيهِ القُرءانُ هُدًى لِلنّاسِ وَبَيِّنٰتٍ مِنَ الهُدىٰ وَالفُرقانِ ۚ
فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهرَ فَليَصُمهُ ۖ وَمَن كانَ مَريضًا أَو عَلىٰ
سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِن أَيّامٍ أُخَرَ ۗ يُريدُ اللَّهُ بِكُمُ اليُسرَ وَلا
يُريدُ بِكُمُ العُسرَ وَلِتُكمِلُوا العِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُوا
اللَّهَ عَلىٰ ما هَدىٰكُم وَلَعَلَّكُم تَشكُرونَ

[185] রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন, যা মানুষের
জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও
অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি
পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায়
থাকবে সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান;
তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর এবং তোমাদের
হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তা’আলার মহত্ব বর্ননা কর যাতে তোমরা
কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর ৷

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সঠিক ভাবে রোজা রাখার এবং রমজান মাসের হক আদায় করার তৌফিক দান করুন ৷ আমিন  



লেখক - চয়ন চৌধুরী

No comments:

Post a Comment