মাহে রামাদান বা রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আল্লাহর তরফ থেকে এক বিশেষ রহমত
স্বরূপ।কোরআন এবং হাদীসে এই রমজান শরীফ সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান এবং
প্রতিটি সক্ষম মুসলমান নর-নারীর উপর এই রোযা বা সিয়াম সাধনা বাধ্যতামূলক
করা হয়েছে
(রমজান নিয়ে ভিডিও দেখুন উপরে)
মাহে রমজান মাসের ফজিলত নিয়ে কিছু কথা-
মাহে রামাদান বা রমজান মাস
মুসলমানদের জন্য আল্লাহর তরফ থেকে এক বিশেষ রহমত স্বরূপ।কোরআন এবং হাদীসে
এই রমজান শরীফ সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান এবং প্রতিটি সক্ষম মুসলমান নর-নারীর
উপর এই রোযা বা সিয়াম সাধনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে,সাথে সাথে এর অসংখ্য
ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে।এক রেওয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে,রোজাদারের
পুরুস্কার স্বয়ং আল্লাহপাক তার বান্দাদেরকে প্রদান করবেন।অন্য এক হাদীসে
বর্ণনা করা হয়েছে রোযা মুমিনের জন্য ঢাল স্বরুপ।
এই রমজান মাস
আল্লাহর তরফ থেকে বান্দার জন্য রহমত-বরকত-মাগফেরাত হিসেবে অভির্ভূত হয়ে
থাকে।হাদীস শরীফে(সহীহ বোখারী,সহীহ তিরমিযি,ইমাম হাম্বলী,ইবনে
ক্বাসীর,প্রভৃতি)বর্ণিত আছে, বিশেষ করে সাহাবী ক্কাআব বিন ঊজাইর রাজি
আল্লাহু তাআলা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, একদা জুমআর খুৎবা প্রদানের জন্য
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মিম্বরের প্রথম সিড়িতে
পা রাখেন,তখন বলেন আমীন,দ্বিতীয় সিড়িতে যখন পা রাখেন,তখন বলেন
আমীন,তৃতীয় সিড়িতে যখন পা রাখেন,তখন বলেন,আমীন।
নামায শেষে
সাহাবীরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এই তিনবার
অস্বাভাবিক ধরনের আমীন,আমীন,আমীন বলার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন,আমি যখন
মিম্বরের প্রথম সিড়িতে পা রাখি,তখন জিব্রাইল আলাইহিসাল্লাম ওহী নিয়ে
আসেন,বলেন,হালাক বা ধবংস হয়ে যাক, সেই সব ব্যাক্তি,যে রমজান মাসের রোযা
পেলো অথচ গুনাহ মাফ করাতে পারলোনা,এর জবাবে আমি বললাম আমীন।দ্বিতীয়
সিড়িতে পা রাখার সময় জিব্রাইল বললেন,ধবংস হয়ে যাক,সেই সব,যার সামনে আমার
নাম নেওয়া হলো অথচ দুরুদ শরীফ পড়লোনা,জবাবে বলেছি আমীন । তৃতীয় সিড়িতে
যখন পা রাখলাম,জিব্রাইল বললেন,ধবংস হয়ে যাক,সেই সব যে বা যারা তার
মা-বাবা কিংবা উভয়ের যেকোন একজনকে পেলো অথচ তাদের খেদমত করে জান্নাত হাসিল
করতে পারলোনা,জবাবে বলেছি আমীন।
প্রিয় পাঠক ভেবে দেখুন ফেরেশতাদের
সর্দার জিব্রাইল আল্লাহর তরফ থেকে ওহী নিয়ে দোয়া করেছেন আর নবী-রাসূলদের
সর্দার,সারা বিশ্বজাহানের জন্য রাহমাতুল লীল আলামীন,বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম দোয়ার জবাবে বলেছেন আমীন।আসমান-জমীন ধবংস হয়ে যেতে
পারে,কিন্তু আল্লাহর রসূলের আমীন কিছুতেই মিথ্যে হতে পারেনা।বলা যায়
আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই দোয়াতে সীল বা মোহর
মেরে দিয়েছেন। এই হাদীসের শুরুতেই বলা হয়েছে রমজান শরীফের কথা।রমজান মাস
যখন শুরু হয়, তখন আল্লাহ পাক এই মাসের প্রথম রাতেই দশ লক্ষ বান্দাদের মাফ
করে দেন,যাদের জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে আছে, এমন সব গুণাহগারদের মাফ
করে দেন,লাইলাতুর ক্কদরের রাতে অসংখ্য,অগণিত বান্দাদের মাফ করে দেন,আর শেষ
২৯ তারিখ রাতে সারা মাসের যত মাফ করা হয়েছে তার দ্বি-গুন, আর ঈদের রাতে
আরো দ্বি-গুন বান্দাদের গূনাহ মাফ করে দেন বলে হাদীসের বর্ণনায় রয়েছে।তবে
ক্কবীরা গূনাহের জন্য তওবা করে মাফি চাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
সাহাবী হযরত আবু হূরাইরা রাজি আল্লাহু তাআলা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, যে বা
যারা পূর্ণ আন্তরিকতা ও বিশ্বাসের সাথে রমাজান মাসে দিনের বেলা যাবতীয়
পাণাহার থেকে বিরত থাকবেন, রোযা রাখবেন, রাতের বেলা পরিপূর্ণ ঈমানের সাথে
নামায পড়বেন, এবাদত-বন্দেগী করবেন, লাঈলাতুল-ক্কদরের রাতে জেগে
এবাদত-বন্দেগী করবেন, আল্লাহ আজ্জা ওয়াজাল্লাহ বান্দার পেছনের সব গূণাহ
মাফ করে দেবেন।ইমাম বোখারী, ইমাম মালেক, তিরমি্যি, ঈমাম আহমদ ইবনে
হাম্বল,মুসলিম শরীফ, ইমাম আবু হাণিফা,আবু দাঊদ, বায় হাক্কী, যোয়াব আল
ঈমাণ সহ প্রভৃতি কিতাবের অধিকাংশ হাদীস ব্যাখ্যাকারীদের উদ্ধ্বৃতিতে এই
হাদীসের সত্যতা নির্ভুল ভাবে পাওয়া যায়।
হযরত আবু হোরাইরা রাজি
আল্লাহু তাআলা আনহু আরো বর্ণনা করেছেন, রমজান মাসে বেহেশতের দরজা খুলে
দিয়ে দোজখের দরজা যেমন বন্ধ করে দেওয়া হয়, একই সাথে সকল শয়তান ও
জ্বীনদের তালাবদ্দ্ব করে রাখা হয়।রমজানের প্রতিটি দিন ও রাতে অসংখ্য অগণিত
বান্দাদেরকে আল্লাহ পাক দোজখের আজাব থেকে মাফ করে দিতে থাকেন।
এই
রমজান মাসে কেউ একজন রোযাদারকে এক ফোটা দুধ বা পানি বা খেজুর দিয়ে ইফতার
করালে আল্লাহ পাক তাকে দোযখের আযাব থেকে মাফ করে দিবেন, তাকে ঐ পরিমাণ
রিওয়ার্ড দিয়ে ভূষিত করা হবে, আল্লাহ পাক তাকে বেহেশতের ফাউন্টেন বা
কউত্ত্বর থেকে পান করাবেন,যা কখনো সে তৃষ্ণার্ত হবেনা, এবং তা বেহেশতে
প্রবেশ পর্যন্ত অনুভূত হবে।আবু হূরাইরা হতে আরো বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মাগফেরাতের দোয়া রমযানের শেষ
রাতে গ্রান্ট হয়েছে,সাহাবীরা জিজ্ঞেস করলে ওটা লাইলাতুল ক্কদরের রাতে কিনা
বললে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, না, কারণ
আল্লাহ পাক তার বান্দার মজুরী রমজান পূর্ণ হওয়ার সাথে সাথেই দিয়ে
দেন।বলাই বাহূল্য হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পূর্ণ নির্মল ও
নেক শ্রেষ্ট নবী হওয়া সত্ত্বেও রমজানে আল্লাহর দরবারে এতো এবাদত বন্দেগী
করেছেন, আর আমরাতো উনার উম্মত, আমাদেরও আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য বেশী-
বেশী করে ইবাদত-বন্দেগী করা উচিৎ।
রমজান মাসের প্রতিটি সময়,
প্রতিটি ক্ষণ অত্যন্ত মূল্যবান। অন্য যে কোন মাসে যেমন নির্দিষ্ট সময় বা
শেষ রাতে বা তাহাজ্জুদের সময় বান্দার দোয়া কবুল হওয়ার কথা বলা হয়েছে,
কিন্তু রমজান মাসে প্রতিটি সময় বান্দার দোয়া ক্কবুল হওয়ার কথা বলা
হয়েছে।দিনে-রাতে আল্লাহ পাক তার রহমতের তজল্লী খুলে বান্দার নিকটবর্তী
হয়ে গূণাহগার বান্দাদেরকে মাফ করে দিতে আছেন এবং তা চলতে থাকবে অনবরত
একেবারে ঈদের রাত তথা জামায়াত পর্যন্ত।
এই রমজান মাসে শেষ দশ দিনের
মধ্যে বেজুড় এক রাত লাঈলাতুল ক্কদরের রাত নামে কোরআন ও হাদীসে বর্ণিত
হয়েছে, যা হাজারো-লক্ষকোটি রাতের এবাদত বন্দেগীর চাইতে উত্তম রাত।লাঈলাতুল
ক্কদরের রাতের ইবাদত বন্দেগীর অফুরন্ত ফজিলত বহু কিতাবে উলামায়ে
কেরামবৃন্দ হাদীস শাস্র থেকে আলোকপাত করেছেন, তা আমরা সকলেই কম-বেশী
জানি।একাগ্র চিত্তে এই রাতে এবাদত করলে বান্দার গোণাহ মাফ করে দেন আল্লাহ
পাক।হাজারো রাত্রির এবাদতের চাইতে এই রাতের এবাদতের মর্যাদা সর্বোচ্চ, বলা
যায়, আল্লাহ পাক রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লামের উম্মতদেরকে
আগেকার নবী রাসূলদের উম্মতদের তুলনায় একরাতের নফল এবাদতের সাথে তখনকার
উম্মতদের শত-হাজারো বছরের এবাদত বন্দেগীর উপরে অধিক মর্যাদা দিয়েছেন।সূরা
দোখান এবং সূরা ক্কদরের বর্ণনা থেকে এই রাতের বিশেষ মাহাত্ম্য প্রতিফলিত
হয়।
এই রমজান মাসেই কোরআন শরীফ নাযেল হয়েছিলো।সুতরাং আমাদের সকলের
উচিৎ রমজানে বেশী বেশী করে কোরআন তেলাওয়াত করা।যারা কোরআন পড়তে পারেননা
তাদের উচিৎ হলো মসজিদ, মক্তবের বা মাদ্রাসার ইমাম সাহেবদের সাথে যোগাযোগ
করে কোরআন তেলাওয়াত শিখে নেওয়া, এতে কোন দূষ নেই বরং অধিক সোওয়াব। যাদের
হাতে সময় অল্প, বিভিন্ন প্রফেশনাল ও পারিবারিক কারণে ব্যাস্থ , তাদেরও
উচিৎ অন্তত দিনে-রাতের কিছুটা সময় হলেও কোরআন তেলাওয়াত করা, একান্ত অপারগ
হলে অন্তত সূরা ঈয়াসীণ, সূরা দোখান, সূরা মূলক, সূরা ক্কাহফ-এই সব ফজিলত
ওয়ালা সূরা তেলাওয়াত করা।সূরা ঈয়াসীণকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম সমগ্র কোরআনের সারাংশ তথা কোরআনের হার্ট বলেছেন এবং তা
তেলাওয়াতে মাগফিরাত লাভ হয়ে থাকে বলে উল্লেখিত আছে, একথা পাওয়া যায়
মসনূদ ইমান,পৃষ্টা নং ২৮৬, ভলিউম-৭, হাদীস ২০৩২২- এ ।এই সূরা তেলাওয়াতের
অসংখ্য সাক্ষাত ফজিলত রয়েছে।কোন পেরেশান ব্যাক্তি যদি সূরা ঈয়াসীণ
তেলাওয়াত করেন, তবে সূরা তেলাওয়াতের শেষ হওয়ার আগেই ইনশাআল্লাহ তিনি এই
সূরা তেলাওয়াতের ফললাভ করবেন,দেখা যাবে তার অনেক প্রশান্তি ফিরে এসেছে,
এটা হাদীস শরীফে যেমন বর্ণিত হয়েছে, একইভাবে অনেকের বাস্তব জীবনেও তাই
হয়েছে।সূরা দোখান রাতের বেলা তেলাওয়াত করলে আল্লাহ পাক বান্দার পেছনের
গোনাহ মাফ করে দেন।জামে তিরমিযির পৃষ্টা নম্বর ৪০৬ এর ভলিউম নম্বর ০৪ এর
২৮৯৭ নম্বর হাদীস শরীফে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে কেউ সূরা দোখান যে কোন রাতের বেলা পড়লে ৭০,০০০
ফেরেশতা অনবরত তার মুক্তির জন্য দোয়া করতে থাকেন।একই কিতাবের ৪০৭ নম্বর
পাতায় ২৮৯৮ নম্বর হাদীস থেকে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতের বেলা অর্থাৎ
সোবে জুমা বারে এই সূরা তেলাওয়াত করলে আল্লাহ পাক বান্দার গূনাহ মাফ করে
দেন।
রমজান মাসে যেকোন এবাদতের দ্বিগুণ সওয়াব রয়েছে।অন্য যেকোন
মাসের নফল এবাদতের চেয়ে রমজান মাসে এক রাকায়াত নফল এবাদতের ৭০ গূণ
সওয়াবের কথা হাদীসে বলা হয়েছে, অন্য যেকোন মাসের ফরজ এক রাকায়াতের ৭০০
গূণ সওয়াব প্রদানের কথা বর্ণিত হয়েছে।কোন কোন রেওয়াতে এক রাকাতের বদলে
১৭০০ রাকাতের সওয়াবের উল্লেখ রয়েছে।সব চাইতে বড় কথা, স্বয়ং আল্লাহ পাক
ঘোষণা করেছেন, রোযা আমারই জন্য, আর আমিই এর প্রতিদান দেবো।পবিত্র তিরমিয
শরীফে সাহাবী হযরত আবু হূরাইরা রাজি আল্লাহু তাআলা আনহূ হতে বর্ণিত আছে যে,
রোযাদারের দোয়া আল্লাহ পাক কবুল করে থাকেন।আম্মাজান আয়েশা রাজিয়াল্লাহু
তাআলা আনহুমা হতে বর্ণিত আছে যে, রমজান মাস এলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারার রঙ পরিবর্তন হয়ে যেতো, তিনি রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেশী বেশী করে দোয়া করতেন, নামায,
তেলাওয়াত করতেন বেশী বেশী করে।রমজান মাসের শেষ দশ দিন এতেকাফের বিশেষ
ফজিলত সম্পর্কে হাদীসে বলা হয়েছে, এর ফলে দুই হজ্জ্বের সওয়াব লাভ করা
যায়।সব চাইতে বড় কথা হলো, এতেকাফের ফলে বান্দার ভাগ্যে লাইলাতুল কদরের
মহিমান্বিত রজনী ভাগ্যে জুটে থাকে, যা হাজার বছরের রাতের এবাদতের চাইতে
উত্তম,ফলে বান্দার গোনাহ আল্লাহ পাক মাফ করে দেন।
রমজান মাসে এশার
নামাজের পর জামায়াতের সাথে তারাবীহ নামায আদায় করা বিশেষ ফজিলত এবং
সূন্নত হিসেবে বিশেষ মর্যাদা রয়েছে।বেশ কয়েক বছর ধরে দেশে-বিদেশে এক
শ্রেণীর টেলিভিশন চ্যানেলে এবং মিডিয়াতে দেখা যায়,অহেতুক কিছু রেফারেন্স
টেনে বিভিন্ন মাযহাবের কথা বলে তারাবীহ নামায বিশ রাকাত,কারো কারো জন্য আট
রাকায়াত, আবার কারো কারো জন্য বিশেষ চার রাকায়াতের কথা বেশ জোরে-শোরে বলা
হয়ে থাকে।এই নিয়ে দেখা যায় অনেকের মাঝে বিভ্রান্তি।
এই ব্যাপারে
হযরত আবু হুরায়রা রাজিয়াল্লাহু আনহু,যাকে হাদীস শাস্রের সবচাইতে নির্ভর
যোগ্য সর্বাধিক হাদীস উপস্থাপক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সহীহ বোখারী
শরীফ,মুসলিম শরীফ,তিরমিযি শরীফ,ইমাম আবু হাণিফা,ইমাম মালেক,ইমাম আহমদ ইবনে
হাম্বল,ইমাম ক্কাসীর,আবু দাঊদ,বায়হাক্কী,ষোয়াব-আল-ঈমান,কাণজুল
ঈমান,ইত্যাদিতে-তিনি বলেছেন,রাসূল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেন,যিনি বা যারা রমজান মাসে দিনের বেলা সকল প্রকার পাণাহার থেকে বিরত
থাকবেন,পূর্ণ বিশ্বাস ও আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কার বা মাফি
চাইবেন,রাতের বেলা নামায-এবাদত করবেন,লাঈলাতুল ক্কদরের রাতে এবাদত
করবেন,আল্লাহ পাক তাকে বা তাদেরকে মাফ করে দিবেন।তিনি আরো বলেছেন,রমজান
মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়,শয়তানকে তালাবদ্দ্ব করে রাখা
হয়।এখানে নামায বলতে তারাবীহকে বুঝানো হয়েছে।
রমজান মাসে সেহরী খাওয়া ও সূন্নত।তাবরানীর সোর আল সূহর কিতাবে সাহাবী ইবনে
উমর রাজি আল্লাহু তাআলা আনহু হতে জানা যায়, তিনি বলেছেন, অবশ্যই আল্লাহ
পাক এবং তার মালাইকা তথা ফেরেশতারা প্রতিনিয়ত মাফি প্রেরণ করেন যারা রমজান
মাসে রাসূলুল্লাহর সূন্নত সেহরী খেয়ে থাকেন।
সেহরী খাওয়া যেমন
সূন্নত একই সাথে এবাদত-বন্দেগীর ব্যাপারে এতে বিশেষ সহায়ক, ফলে যেমন
আল্লাহর সাথে সরাসরি কথা বলার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই ওয়াসাল্লামের
সূন্নত তাহাজ্জুদ পড়ার সূযোগ হয়, একই সাথে ফজরের নামায পড়ার ও সুযোগ
লাভ করা যায়।
বিস্তারিত লিখেছেন - https://www.facebook.com/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE-Islam-is-the-best-way-of-life-214030275466230/?fref=nf পেজের এডমিন
No comments:
Post a Comment